কৃষি এখন তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার পেশা নয়

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষি এখন আর তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার পেশা হিসেবে নেই। শিক্ষিত তরুণরা কৃষিখাতে নানা উদ্ভাবন নিয়ে এগিয়ে এসেছে। কৃষিকে ভাগ্যোন্নয়নের অন্যতম সফল হাতিয়ার হিসেবে পরিণত করেছে।

বুধবার (৩১ মার্চ) রাতে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে ‘আরটিভি কৃষি পদক ২০২১’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্যমোচনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো কৃষি। বাংলাদেশে এখনও বেশিরভাগ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। স্বল্প জমি ও বাড়ির আঙিনায় গরু-মুরগি পালন, ফলমূল চাষ ও শাকসবজির বাগান গড়ে তোলার পাশাপাশি আধুনিক কৃষিকাজ বাড়াতে পারলেই গ্রামীণ মানুষের দারিদ্র্য আরও কমে আসবে।

আরটিভি কৃষি পদক অনুষ্ঠানে মোট ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এসময়ে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। এ বছর আরটিভির চোখে সেরা কৃষক হয়েছেন বান্দরবনের ফলচাষি তোয়ো ম্রো ও সেরা কৃষাণি হয়েছেন কক্সবাজারের কেঁচো কম্পোস্ট সার উৎপাদনকারী লাকী শর্মা।

ফরিদপুরের সাবিনা ইয়াসমিন সেরা খামারি (গরু, ছাগল, মহিষ), সিলেটের ইমরান হোসাইন সেরা খামারি (পোলট্রি) ও চাঁদপুরের সোহেল বেপারী সেরা খামারি (মৎস্য) ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন। সেরা উদ্যান চাষি হয়েছেন সাতক্ষীরার শেখ আব্দুল জলিল। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম এ রহিমকে দেওয়া হয়েছে আজীবন সম্মাননা।

সেরা কৃষি উদ্ভাবন (প্রতিষ্ঠান) হিসেবে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। এছাড়া সাতক্ষীরার সাইফুল্লাহ গাজী রঙিন মাছ চাষি হিসেবে সেরা কৃষি উদ্যোক্তা (ব্যক্তি) ও ক্রিশ্চিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি) সেরা কৃষি উদ্যোগ (প্রতিষ্ঠান) ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে।