বিএডিসি’র ব্যবস্থাপকের শেরপুর জোনের বীজ আলুর মাঠ পরিদর্শন

শেরপুর জোনের বীজ আলুর ব্লক পরিদর্শন করেছেন বিএডিসি ঢাকা’র ব্যবস্থাপক (আলুবীজ) মো. গোলাম কিবরিয়া। ১ ফেব্রুয়ারী শনিবার দুপুরের দিকে চন্দ্রকোণা ইউনিয়নের চরমধুয়া, বাছুর আলগাসহ উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের কৃষকদের আলুর মাঠ পরিদর্শন করেন তিনি। এসময় বিএডিসি ঢাকা’র ব্যবস্থাপক (আলুবীজ) মো. গোলাম কিবরিয়াসহ বিএডিসি নকলা হিমাগার’র উপ-পরিচালক (টিসি) কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম ও উপ-সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান ও বিএডিসি আলুর স্থানীয় চাষীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, ২৫ ডিসেম্বর, ২৭ ডিসেম্বর, ২৮ ডিসেম্বর, ২৯ ডিসেম্বর, ১ জানুয়ারী, ৫ জানুয়ারী, ৬ জানুয়ারি, ৮ জানুয়ারী, ৯ জানুয়ারী, ১১ জানুয়ারী, ১৩ জানুয়ারী, ২১ জানুয়ারী তারিখে নকলা হিমাগার’র উপ-পরিচালক (টিসি) কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম, উপ-সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমানসহ অন্যান্যরা মাঠ পরিদর্শন করেন। মাঠ পরিদর্শনসহ চাষীদের রগিং করাসহ আলুর গুনগত মান সম্পন্ন বীজ আলু উৎপাদনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন তাঁরা। ৪ জানুয়ারি শনিবার দুপুরের দিকে চন্দ্রকোণা ইউনিয়নের চরমধুয়া, বাছুর আলগাসহ উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের কৃষকদের বীজ আলুর মাঠ পরিদর্শন করেন বিএডিসি ঢাকা’র যুগ্মপরিচালক (মান নিয়ন্ত্রণ) সুভাষ চন্দ্র ঘোষ। ১৫ জানুয়ারী বিএডিসি’র চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম শেরপুর জেলার বীজ, সার ও সেচের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং বিএডিসির স্থানীয় সকল কর্মকর্তাদের নিয়ে আলোচনা সভা করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন। ১৬ জানুয়ারী বিএডিসি ঢাকার যুগ্ম পরিচালক (বীবি) মো. রহুল আমিন বিএডিসি নকলা হিমাগার’র উপ-পরিচালক (টিসি) কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম ও উপ-সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমানকে সাথে নিয়ে আলু মাঠ পরিদর্শন করেন। ২৭ জানুয়ারী চুড়ান্ত মাঠ পরিদর্শন কমিটি বিএডিসি হিমাগার নকলা-শেরপুর জোনের বিভিন্ন ব্লক হতে গুনগত মান সম্পন্ন বীজ আলু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারনের জন্য বীজ আলুর মাঠ পরিদর্শন কাজ সম্পন্ন করা হয়।

ভূরদী কৃষিপণ্য উৎপাদক কল্যান সংস্থার সভাপতি কৃষক ছাইদুল, সদস্য কামাল ও হেলালসহ অনেকেই জানান, আলুতে লাভ বেশি পাওয়ায় তারা গত বছরের তুলনায় এবছর আলু চাষের পরিমাণ বাড়িয়েছেন। চন্দ্রকোনার সাজু সাঈদ সিদ্দিক, রাজু সিদ্দিক, কামরুজ্জামান গেন্দু, চবড়ইগাছির সফিকুল ইসলাম সফিক ও বানেশ্বদীর জুয়েল মিয়াসহ বেশ কয়েকজন আলু চাষী জানান, আবহাওয়া আলু চাষের অনুকূলে থাকায় এবং বিএডিসি হিমাগার কর্মকর্তাগন নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে তাদেরকে সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ায় ফলন ভালো হবে বলে তারা আশা করছেন। তারা আরও জানান, গত বছর (২০১৯ সাল) বীজ আলুর ভালো দাম পাওয়ায় চুক্তিভিত্তিক আলু চাষীরা বেশ লাভবান হয়েছেন। আগামীতে উপজেলায় আলু চাষীর সংখ্যা ও জমির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে অনেক কৃষক জানান।

বিএডিসি নকলা হিমাগার’র উপ-পরিচালক (টিসি) কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, কৃষকদের পরামর্শ সেবাদান, তদারকী ও দৈনন্দিন রুটিন মোতাবেক কৃষকদের সাথে যোগাযোগের সুবিধার্থে নকলা উপজেলাকে ১৯ টি ব্লকে ভাগ করে ৩৫ জন চুক্তিবদ্ধ আলু চাষীদের মাধ্যমে ২৭০ একর জমিতে বিএডিসি’র আলু বপন করা হয়েছে।