লবণাক্ততা ও প্রতিকূলতাসহিষ্ণু গম উৎপাদনে কাজ করছে বারি

শুষ্ক মৌসুমে লবণাক্ততা ও প্রতিকূলতাসহিষ্ণু গম উৎপাদনে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের কৃষিবিজ্ঞানীরা যৌথভাবে গবেষণা করছেন।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট (বারি) , বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

২০১৮ সালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী এবং নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলে স্থানীয় কৃষি গবেষণা কেন্দ্র কৃষকের গম ক্ষেতে ২৪টি জেনোটাইপ নিয়ে গবেষণা শুরু করে। গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল লবণাক্ততা ও প্রতিকূলতাসহিষ্ণু গমের জাত চিহ্নিত করা।

গবেষণায় তিনটি জেনোটাইপকে লবণাক্ততা ও প্রতিকূলতাসহিষ্ণু হিসেবে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নরেশচন্দ্র দেব বর্মণ।

কয়রা ও দাকোপ অঞ্চল বেশি লবণাক্ত হওয়ায় অস্ট্রেলিয়া এবং বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা এলাকা দু’টির গবেষণার নিয়ে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া এবং বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে দেখেছেন বলে জানান ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার কৃষি গবেষক ড. এম জি নিয়োগি এবং খুলনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ড. মো. হারুনুর রশীদ।

দাকোপ কৃষি কর্মকর্তা তৃষ্ণা সরকার জানিয়েছেন, আগাম বৃষ্টিকে কাজে লাগিয়ে সহজে এবং কম খরচে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুষ্ক মৌসুমে পতিত জমিতে গম চাষ করে একটি বাড়তি ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কৃষক।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লবণাক্ত জমিতে বড় বড় ব্লক তৈরি করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় এ প্রযুক্তিতে গম চাষ করলে ভালো ফলন পাওয়া যাবে।